ইচ্ছা করে ফেল করানোর অভিযোগে রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ক্রপসায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক আলী আসগরের বিরুদ্ধে ইচ্ছা করে শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠায় তিন সদস্যের তদন্তের কমিটির গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের বাসভবনে অনুষ্ঠিত ৪৯৬তম সিন্ডিকেট সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেট সদস্য ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মো.মনিরুল ইসলাম।
ড.মনিরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অধ্যাপক আলীর বিরুদ্ধে ইচ্ছা করে শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক আখতার ফারুককে আহ্বায়ক করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- সিন্ডিকেট সদস্য ও প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হাবিবুর রহমন এবং জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক রেজাউল করিম বকসী।’
বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ক্রপসায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক খায়রুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আলী আসগরের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেন। যার প্রেক্ষিতে সিন্ডিকেটে তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে অধ্যাপক আলী আসগর বলেন, ‘বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ও বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক খায়রুল ইসলামের দুর্নীতি এবং প্ল্যানিং কমিটি সদস্যদের সঙ্গে প্রতারণার বিষয়টি তিনি রেজিস্ট্রার ও উপাচার্য বরাবর অভিযোগ করেছেন। কিন্তু প্রশাসন সেটি আমলে নেয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রশাসনের অনিয়ম ও বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধে এ তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। এর আগেও প্রশাসনের অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সফিকুন্নবী সামাদীর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত । প্রশাসনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে না পারি সেজন্যই তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।’