রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বগুড়া সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে অভ্যন্তরীণ আমন সংগ্রহ বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই অভিমত জানান।
অনিয়মের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিক্রির তালিকা অনুসারে ধান কেনার তালিকা করেছে। এতে অনেকস্থানে মৃত ও জমি নেই এমন ব্যক্তিও তালিকাভুক্ত হয়েছেন।’
তিনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সঠিকভাবে কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘কৃষকরা জানে না ধানের পোকা নির্মূলে কতটুকু ওষুধ দিতে হয়। উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে আজও ভেজালমুক্ত খাবার খেতে পারছি না।’
এসময় তিনি দুর্নীতিবাজদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘খাদ্য বিভাগ এখন দুদকের (দুর্নীতি দমন কমিশন) মতো কাজ করছে। তাই দুর্নীতিবাজদের রক্ষা নেই।’
মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষক হয়রানি বন্ধে আগামী মাস থেকে প্রতিটি খাদ্য গুদামে সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে। যাতে ডিসি ফুড অফিসে বসেই ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তাদের ওপর নজরদারি করা যায়।’
বগুড়া জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক একেএম সাইফুল ইসলাম। এসময় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা-কর্মী, জেলা পর্যায়ের নানা কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।