বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এরআগে বুধবার রাতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, স্থানীয় মাতব্বররা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করে। সাংবাদিকদের সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ মামলা করে।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পুলিশ জানায়, ‘ ঘরে ডেকে নিয়ে ওই কিশোরীকে বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। বাড়ি ফিরে সে ঘটনাটি পরিবারকে জানালে উভয় পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা ও মারামারি শুরু হয়। এসময় সুলতান আহত হলে তাকে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতালে গেলে সে পালিয়ে যায়।’
ওসি হাবিবুল ইসলাম বলেন, ‘কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় থানায় কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। গ্রাম্য মাতব্বররা বিষয়টি পুলিশেও জানায়নি। সাংবাদিকদের মাধ্যমে খবর পেয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার ও মামলা করা হয়। পরে ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়।ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে।’