সূত্র জানায়,কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওই নৈশপ্রহরী ও তার ভগ্নিপতির বাড়ি একই এলাকায়। তার ভগ্নিপতি গার্মেন্টস কর্মী। কয়েকদিন আগে সে নারায়ণগঞ্জ থেকে বাড়ি আসে। পাশাপাশি অবস্থানের কারণে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানোর পর আজ তার শরীরে করোনা উপস্থিতির রিপোর্ট এসেছে। ওই নৈশপ্রহরী হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়েরও দায়িত্বপালন করেন। ফলে সকলেই তার সংস্পর্শে আসায় হাসপাতাল লকডাউন করা হয়েছে।
এছাড়া করোনা শনাক্ত হওয়া অন্যদের মধ্যে ১৭ বছরের এক যুবক তাবলিগ জামাত থেকে এবং বাকিরা ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছেন। এর আগে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা জেলার আট জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়।