কুরিয়ার সার্ভিসের মালিকসহ করোনায় দুই জেলায় ৬ জনের মৃত্যু

মারা যাওয়া কুয়িার সার্ভিসের মালিককরোনার উপসর্গ নিয়ে রাজশাহীতে একরাতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা তিন জনই রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। এদিকে, বগুড়ায়ও করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিন ব্যবসায়ী মারা গেছেন।

রাজশাহীতে মারা যাওয়া তিন জনের মধ্যে একজন আহমেদ কুরিয়ার সার্ভিসের মালিক নবুয়াত আলী (৫০)। রাজশাহী নগরীর আলুপট্টি এলাকায় তার বাড়ি। অন্য দু’জন হলেন, নতুনপাড়া এলাকার বাসিন্দা মতিউর রহমান (৫৬) এবং বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম এলাকার মো. সেন্টু (৪৮)।

রবিবার (২১ জুন) রাত ১০টা থেকে সোমবার (২২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে তারা তিন জন মারা যান।

রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, মৃত তিন জনের করোনার উপসর্গ ছিল। তবে নমুনা পরীক্ষার আগেই তারা মারা গেছেন। মৃত্যুর পর তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

করোনায় আক্রান্ত এবং এর উপসর্গ রামেক হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ৪৪ জন রোগী মারা গেছেন। এদের মধ্যে ৮জন রোগী করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। আর ৩৬ জন রোগী মরা গেছেন করোনা উপসর্গ নিয়ে।


বগুড়া
রবিবার রাত ও সোমবার সকালে করোনায় আরও তিন ব্যবসায়ী মারা গেছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাবে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. খায়রুল বাশার মমিন জানান, শহরের নিউ মার্কেটে সুতা ব্যবসায়ী জাবেদ আলী (৬৫) জ্বর, শ্বাসকষ্ট নিয়ে টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ (টিএমসি) ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে ভর্তি হন। ১৭ জুন নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ ও ১৯ জুন পজিটিভ আসে। অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউ সাপোর্ট নিতে ২১ জুন মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল আইসোলেশনে স্থানান্তর করা হয়। সোমবার সকাল ৭টার দিকে তিনি মারা গেছেন।
টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ (টিএমসি) ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহিম জানান, শহরের ফুলবাড়ি উত্তরপাড়ার পরিবহন ব্যবসায়ী তারেক হোসেন (৩৮) ১৭ জুন করোনা পজিটিভ হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার রাতে মারা যান। এছাড়া শহরের আদর্শ রেলওয়ে হকার্স মার্কেট দোকান মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ (৬২) রবিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি হন। শ্বাসকষ্ট বেড়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা যান। তিনি করোনা পজিটিভ ছিলেন।