অভিযোগে জানা গেছে, বগুড়ার কাহালু সদরের সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন এলাকার মো. বাবলুর ছেলে আহসান হাবিব আতিক আনন্দ টিভির স্পেশাল রিপোর্টার। তিনি স্থানীয় দৈনিক মহাস্থানের স্টাফ রিপোর্টার ও কাহালু প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক। এছাড়া তিনি উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি, বিভিন্ন অনলাইন ও মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
আতিক বগুড়া শহরের খান্দার এলাকার এক শিক্ষক দম্পতির মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি কোচিংরত মেয়েকে (১৭) গত ৫ জানুয়ারি ফুসলিয়ে মোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। তিনি ছাত্রীর স্থির ও ভিডিও ছবি সংরক্ষণ করেন এবং বিয়ে না দিতে পরিবারকে হুমকি দেন। তারা সম্মানের ভয়ে আইনের আশ্রয় নিতে পারেনি। সর্বশেষ কয়েকদিন আগে ছাত্রীটি আত্মহত্যার চেষ্টা করলে তার মা বাধ্য হয়ে ৩১ আগস্ট রাতে সদর থানায় মামলা করেন। পুলিশ রাতেই শহরতলির চারমাথা এলাকা থেকে আতিককে গ্রেফতার করে।
পরদিন ছাত্রী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুপ্রীয়া রহমানের আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেন। এছাড়া ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তা উপশহর ফাঁড়ির এসআই রহিম উদ্দিন জানান, আসামি আতিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ৩ সেপ্টেম্বর আদালতে ৫ দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করা হয়। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিল্লাল হুসাইন মঙ্গলবার দুপুরে তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তাকে কারাগার থেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর কাহালু প্রেসক্লাবের জরুরি সভায় আতিককে যুগ্ম সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।