আসামিরা হলেন-বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার শংকরপুর গ্রামের মৃত নারায়ণ চন্দ্র অধিকারীর ছেলে শ্বশুর আনন্দ চন্দ্র অধিকারী (৬১), শাশুড়ি রেখা রানী অধিকারী (৫৫), স্বামী অনিক চন্দ্র অধিকারী (২৮) ও দেবর অভিক চন্দ্র অধিকারী (২৩)।
পুলিশ ও এজাহার সূত্র জানায়, ব্যবসায়ী অনিক অধিকারী প্রায় তিন বছর আগে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ডিমলা কদুম শহর গ্রামে রতন চন্দ্র মোহন্তের মেয়ে রচনা রানী রূপাকে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছু দিন পর থেকে নানা কারণে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে রূপাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। দায় এড়াতে তারা রূপা সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার লাশ বগুড়ার টিএমএসএম মেডিক্যাল ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিবগঞ্জ সার্কেলের এএসপি আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, রূপার সঙ্গে অনিকের দাম্পত্য কলহ চলছিল। মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ থাকায় লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তাৎক্ষণিকভাবে স্বামী অনিক ও দেবর অভিককে আটক করা হয়। নিহতের বাবা রতন চন্দ্র মোহন্ত শুক্রবার বিকাল আড়াইটার দিকে শিবগঞ্জ থানায় জামাইসহ চার জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। তখন স্বামী ও দেবরকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তিনি আরও জানান, অপর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।