মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (১৯ মে) রাতে সুজানগর উপজেলার উলাট গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্য আমিরুল হক রেন্টু উলাট দক্ষিণ পাড়ার আব্দুস শুকুরের ছেলে।
আহত রেন্টুর ছেলে সজল মোল্লা ও স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে জেলার সুজানগর উপজেলার উলাট মাদ্রাসার মাঠসহ ওই গ্রামের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে উলাট গ্রামের দক্ষিণপাড়া এলাকার সিদ্দিক আলীর ছেলে কাদের, মৃত কুবাদ আলী শেখের ছেলেন মন্টু শেখ ওরফে বাউল মন্টু ও মঞ্জু শেখ ছুটুসহ কয়েকজন এই মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত। তাদের এই অপকর্মে বাধা দেওয়া এবং এলাকায় ইয়াবা বিক্রি করতে নিষেধ করায় ক্ষুব্ধ হন তারা।
বুধবার রাতে মাদক বিক্রেতারা উলাট মাদ্রাসা মাঠে ইয়াবা বিক্রির সময় ফের নিষেধ করলে রেন্টুর ওপর তারা চড়াও হন তারা। এ সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে স্কুল ঘরের পাশ থেকে দৌড়ে এসে কাদের, মন্টু ও মঞ্জু মিলে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আমিরুল হক রেন্টুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এ সময় রেন্টুর চিৎকারে লোকজন ছুটে এলে মাদক বিক্রেতা ও সন্ত্রাসীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা রেন্টুকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানিয়েছেন তার স্বজনরা।
সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। মাদক নাকি পূর্ব বিরোধের জের ধরে এমন ঘটনা ঘটেছে তা জানতে তদন্ত চলছে। তবে সন্ত্রাসী ও মাদক বিক্রেতাদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।