ভারপ্রাপ্ত সভাপতি-সম্পাদক জানান, যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের ছাত্র সংগঠন শিবির রাবি ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। ক্যাম্পাস ও এর আশেপাশের এলাকায় তাদের ঘাঁটি আছে। এমনকি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন রাবি ছাত্রলীগেও তাদের চর আছে। রাবি ছাত্রলীগকে শিবিরমুক্ত করতে তাই একটি মনিটরিং টিম গঠন করা হবে। এই টিমের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাবি ছাত্রলীগকে শিবির-ছাত্রদলের চরমুক্ত করা হবে।
রাবি ছাত্রলীগের দুই নেতা আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হলের ডাইনিং-ক্যান্টিন ও বিভিন্ন খাবার হোটেলে যেসব ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বকেয়া রয়েছে তাদেরকে ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তা পরিশোধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা এ নির্দেশ মানবে না তাদের বিরুদ্ধে সাংগাঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তারা।
মতবিনিময়কালে ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজি বন্ধ, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ, ব্যক্তিগত রাগ বা ক্ষোভ সাংগাঠনিক পর্যায়ে না নেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেন দুই নেতা।
মতবিনিময়ে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাবি ছাত্রলীগের সহসভাপতি ফিরোজ মাহমুদ, ছাত্র বৃত্তিবিষয়ক সম্পাদক টগ মো. সালেহ, যুগ্ম-সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু, শরীফুল ইসলাম সাদ্দাম, ছাত্রলীগ সদস্য সাকিবুল হাসান বাকি প্রমুখ।
/এএ/