সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে হেলিকপ্টারে নেওয়া হলো ঢাকায়    

ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে সরকারের সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতির শঙ্কায় হেলিকপ্টারযোগে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১১ মে) বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ছেড়ে যায়। 

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি হাসপাতালের ভিভিআইপি কেবিনে চিকিৎসারত ছিলেন।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, সাবেক মন্ত্রী ডায়রিয়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। রাতে বেশ কয়েকবার পাতলা পায়খানা হওয়ায় তার শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিয়েছে। তবে ভর্তির পরপরই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। শারীরিক অবস্থাও স্থিতিশীল ছিল। তার বয়স ৭২ বছর। ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য শারীরিক জটিলতাও আছে। অবস্থার অবনতি হলে এখানে পর্যাপ্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। তাই তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

সাবেক এই মন্ত্রী ভর্তির পরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ১৫ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে। বোর্ডের নেতৃত্বে ছিলেন রামেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. খলিলুর রহমান।

জানা যায়, আসন্ন আইনজীবী বার কাউন্সিল নির্বাচন-২২-কে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ মনোনীত প্যানেলের পরিচিতি সভায় বুধবার (১১ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল সাবেক মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের। তিনি মঙ্গলবার (১০ মে) রাজশাহীতে এসে সার্কিট হাউসে রাতযাপন করেন।

এদিকে, হাসপাতালে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন অসুস্থ মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে চিকিৎসার খোঁজ নেন। এ সময় রামেক হাসপাতালের পরিচালকসহ নগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।