যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী স্বাধীনতাবিরোধীরা বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটির মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। তিনি বলেন, দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের বাংলাদেশ যাদের সহ্য হয়নি, যারা এ দেশের স্বাধীনতা চায়নি, তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সঙ্গে জড়িত। এ দেশের তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামাত-শিবির, রাজাকার-আলবদর সবাই যুক্তরাষ্ট্র আর পাকিস্তানের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত। আর এই কাজে তথা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার ক্ষেত্র তৈরি হয় জাসদের মাধ্যমে।
বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) বিকালে নাটোর শহরের কানাইখালী এলাকায় জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শহীদদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি দাবি করেন, বঙ্গবন্ধু হত্যায় এ দেশীয় এজেন্টদের মধ্যে এক নম্বরে ছিল জিয়া।
তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, গত ১৩ বছরে আমরাই আমাদের ভেতর ঠাঁই দিয়েছি অন্য দলের মীরজাফরদের। অথচ রাজপথে নামলে ওই মীরজাফরদের কারণেই হাজার হাজার ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর মনোবল ভেঙে যাবে। এজন্য ওই মীরজাফরদের এখনই শনাক্ত করার উপযুক্ত সময়। আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগেই তাদের সম্পর্কে সজাগ ও সতর্ক হতে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
মেয়র লিটন বিএনপির উদ্দেশে বলেন, তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে দাবি করছে তা কখনো হবে না। এতে তারা যদি নির্বাচনে না আসে সেটা তাদের বিষয়। ২০১৩ ও ২০১৮ সালের মতো আগামী নির্বাচনও থেমে থাকবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরাই ক্ষমতায় যাবো।
জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, নাটোর-নওগাঁ সংরক্ষিত আসনের এমপি রত্না আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান, নাটোর পৌর মেয়র উমা চৌধুরী জলি প্রমুখ।