বের করা হলো শিশুর খাদ্যনালিতে বিঁধে থাকা সেফটিপিন

শিশু সাহানা আক্তার জিদনীর (৩) খাদ্যনালি থেকে বের করা হয়েছে সেফটপিনটি। ৫২ ঘণ্টা পর শুক্রবার (২৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেটি বের করা হয়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অপারেশন ছাড়াই আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তার চিকিৎসা করা হয়েছে। জিদনী নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের বড় বাদকয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে।

শফিকুল ইসলাম জানান, তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তার স্ত্রী গৃহিণী। তাদের দুই সন্তান। বড় ছেলে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে নুডলস খেতে পছন্দ করে। অন্যান্য দিনের মতো বুধবার (২৪ আগস্ট) বিকাল ৫টার দিকে মা জুলেখার হাতে নুডলস খাচ্ছিল সে। এ সময় তার গলায় সেফটিপিনটি বিঁধে যায়। তখন সে বমি করতে থাকে। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এরপর চিকিৎসকরা তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের রেফার্ড করেন।

তিনি আরও জানান, সেখানে এক্স-রে করে দেখা যায়, খাদ্যনালিতে সেফটিপিন আটকে আছে। এটি বের করার মেশিন অকেজো থাকায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। সেখানেই শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় মেশিনের মাধ্যমে সেফটিপিনটি বের করেন চিকিৎসকরা। এরপর রাত সাড়ে ৩টায় বাবা-মায়ের সঙ্গে বাড়ি ফেরে শিশুটি।

শিশুটির জেঠাতো ভাই হাসান আলী জানান, সেফটিপিন বের করার পর সে এখন সুস্থ। তার মুখে হাসি ফোটায় চিন্তামুক্ত হয়েছে বাবা-মাসহ সব আত্মীয়-স্বজন।