যক্ষ্মা রোগীকে ৪-৬ মাস নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হয় বলে জানিয়েছেন নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. রোজী আরা খাতুন। তিনি বলেন, রোগী যাতে প্রতিদিন ওষুধ সেবন করেন তা নিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য ‘জানাও অ্যাপ’ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রোগী ওষুধ খাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করবেন। এজন্য বাড়তি কোনও খরচ হয় না।
বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিভিল সার্জন ডা. রোজী আরা খাতুন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। ‘বিনিয়োগ করি যক্ষ্মা নির্মূলে, জীবন বাঁচাই সবাই মিলে’ শিরোনামে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব তথ্য জানান।
এ সময় তিনি আরও জানান, যক্ষ্মা রোগে জেলায় এমডিআর (মাল্টি ড্রাগ রেসিস্ট্যান্ট) রয়েছেন ১৩ জন। অপরদিকে চলতি বছরের আগস্ট মাস পর্যন্ত নাটোরে ১৯ হাজার ৫৬৬ জনকে পরীক্ষা করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৫০০ রোগী। গত বছর মোট ২৬ হাজার ৭৯৩ জনকে পরীক্ষা করে শনাক্ত হয়েছিল দুই হাজার ১৪৬ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৩১ জন। সুস্থতার হার প্রায় ৯৫ ভাগ।
শহরের আলাইপুর এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) আয়োজিত ওই মতবিনিময়ে সভাপতিত্ব করেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এনামুর রহমান চিনু।
সিভিল সার্জন আরও বলেন, বর্তমানে দেশে যক্ষ্মায় প্রতি লাখে মারা যান ২৪ জন। যক্ষ্মাকে দেশ থেকে নির্মূলে টিবি প্রিভেন্টিভ থেরাপি ছাড়াও রোগীর সংস্পর্শে আসা সবাইকে চিকিৎসার আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র উমা চৌধুরী জলি, নাটাবের কেন্দ্রীয় যোগাযোগ কর্মকর্তা বিচিত্র চন্দ্র দাস, জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান ও ব্র্যাক প্রতিনিধি আবুল বাশার।