বগুড়ায় নিখোঁজ গ্রামীণফোনের বিক্রয় প্রতিনিধির বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

লাশ উদ্ধারবগুড়ায় নিখোঁজ গ্রামীণফোন ফাস্ট ডিস্ট্রিবিউশন অফিসের বিক্রয় প্রতিনিধি মামুনুর রশিদ মানিককে (৩০) শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। রবিবার সকালে পুলিশ শাজাহানপুর উপজেলার দুবলাগাড়ির করতোয়া নদীর তীর থেকে তার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে। শনিবার বিকালে তিনি দুবলাগাড়ি বাজারের একটি দোকানের সামনে বাইক রেখে টাকা আদায় করতে যাওয়ার পর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে বগুড়া শহরের মালতিনগর বকশিবাজারে গ্রামীণফোন ফাস্ট ডিস্ট্রিবিউশনের ব্যবস্থাপক এসএম শাহনেওয়াজ রাহেল অভিযোগ করে বলেন, মানিক নিখোঁজ হাওয়ার পর শনিবার বিকালে শাজাহানপুর থানায় গেলে ওসি আলমগীর হোসেনসহ অন্যরা ২৪ ঘণ্টা পর জিডি করতে বলেন। পুলিশ গাফিলতি না করলে হয়তো মানিকের এ পরিণতি হতো না।

তবে ওসি আলমগীর হোসেন অভিযোগটি অস্বীকার করে বলেছেন,পূর্বশত্রুতা বা কোম্পানির অভ্যন্তরীণ কোনও কোন্দলের কারণে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এসএম শাহনেওয়াজ রাহেল আরও জানান, দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া গাড়িবেল ঘড়িয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মুন্টুর ছেলে মামুনুর রশিদ মানিক প্রায় ১৩ বছর ধরে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি করছেন। সপ্তাহে তিনদিন দুবলাগাড়ি বাজারে কালেকশনে যান। শনিবার বিকাল ৩টার দিকে তিনি শাজাহানপুর উপজেলার দুবলাগাড়ি বাজারে একটি ফ্লাক্সিলোডের দোকানের সামনে তার বাইক রেখে টাকা তুলতে যান। এরপর থেকে মানিকের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সন্ধ্যার দিকে ফোন খোলা পাওয়া গেলেও কেউ ধরেনি। তার কাছে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার টাকা ছিল।

এদিকে রবিবার সকাল ৯টার দিকে দুবলাগাড়ি সেতুর উত্তরপাশে করতোয়া নদীর তীরে একটি বস্তাবন্দি লাশ দেখতে পেয়ে শাজাহানপুর থানায় খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে নিশ্চিত হওয়া যায় এটি গ্রামীণফোনের বিক্রয় প্রতিনিধি মানিকের লাশ। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। থানায় অজ্ঞাত ঘাতকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন তার বাবা।

/জেবি/ এএইচ/আপ-বিটি/