কবরস্থানের জমি নিয়ে নারীকে হত্যা, আত্মসমর্পণ করলেন পুলিশ কনস্টেবল

বগুড়ায় গৃহবধূ জীবন নাহার (২৮) হত্যা মামলার প্রধান আসামি পুলিশ কনস্টেবল আবেদুর রহমান পারভেজ আত্মসমর্পণ করেছেন। ডিবি ও সদর থানা পুলিশ সোমবার (২২ মে) রাতে অপর দুই আসামি মেজবা কনক ও আমিনুর ইসলাম বিপ্লবকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ, এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া সদরের রাজাপুর ইউনিয়নের কুটুরবাড়ি মধ্যপাড়া গ্রামে কবরস্থান ও অন্যান্য জমি নিয়ে নিকটাত্মীয় পলাশ মিয়ার সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কনস্টেবল আবেদুর রহমান পারভেজ গ্রামে এলেই প্রতিপক্ষকে হুমকি-ধমকি দেন। গত ১৭ মে দুপুর ১২টার দিকে পলাশের স্ত্রী জীবন নাহার জমিতে ধানকাটা শ্রমিকদের খাবার দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন।

পথে ওই কনস্টেবল, জহুরুল ইসলাম ও বিপ্লব এবং জহুরুলের ছেলে কনক তার পথরোধ করেন। তারা তাকে বাগানে নিয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন। পরে স্বজনরা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিলে দুপুর সোয়া ১টার দিকে মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী উল্লিখিত চার জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার এসআই আবু জাফর মো. সালেহ জানান, সোমবার রাত ১১টা পর্যন্ত ডিবি পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে বগুড়া সদরের সাবগ্রাম এলাকা থেকে মেজবা কনক ও তিন মাথা থেকে আমিনুর ইসলাম বিপ্লবকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। মিস্টার ও কনককে আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। শিগগিরই বিপ্লবের রিমান্ড আবেদন করা হবে। অপর আসামি জহুরুল ইসলামকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।