মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) গোলাম মোস্তফা বলেন, সোহেল রানা নামে এক যুবককে মারধরের ঘটনায় সেতুর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। সোহেল চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে মারা যান। এ বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশনা নিতে সার্কেল এএসপি স্যারের সঙ্গে দেখা করতে গেলে উপ-সহকারী পরিদর্শক কামাল হোসেন ও কনস্টেবল রশিদসহ তিন পুলিশ সদস্য সেতুর পাহারার দায়িত্বে ছিলেন। হাসপাতালের নার্স ও স্টাফরা চোখ দেখানোর জন্য তাকে সার্জারী ওয়ার্ডের চতুর্থ তলা থেকে নিচ তলায় নিয়ে যায়। নিচতলায় এসেই আসামি পালিয়ে যায়।
সদর হাসপাতালের মেইল সার্জারী ওয়ার্ডের ইনচার্জ টুলু রানী বিশ্বাস জানান, সোমবার সকালে আসামি রোগীর চোখ দেখানোর কথা ছিল। পুলিশের পাহারায় ছিলেন তিনি। হঠাৎ সকাল সাড়ে ১১ টার পর নিখোঁজ হয়ে যান। আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আকরামুজ্জামানও আসামির নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে অবগতির কথা জানান।
উল্লেখ্য, সদর উপজেলার কল্যানী গ্রামে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে রবিবার সকালে আবু সাঈদ গং-এর সঙ্গে একই এলাকার ভাটাশ্রমিক আমিনুল ইসলামের সংঘর্ষের জের ধরে আমিনুলের ছেলে সোহেলরানাসহ ৮/১০ জনকে বেধড়ক মারধর করে প্রতিপক্ষ। আহত হন প্রতিপক্ষীয় আবু সাঈদ ও তার ছেলে সেতু। সবাইকে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর সোহেল রানার শারীরিক অবস্থার অবনতিবিচারে তাকে বগুড়ায় পাঠানো হয়। সকাল তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশের অবহেলা থাকলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/এইচকে/