বগুড়ায় পুলিশ সুপারের বাংলো, কার্যালয় ও শহরের ঝাউতলা এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ এবং সদরের জয়বাংলা এলাকায় গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় পৃথক চারটি মামলা হয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে সদর থানায় মামলাগুলো করে। এজাহারে বিএনপি-জামায়াতের ৯০ নেতাকর্মীর নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত অনেককে আসামি করা হয়।
শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) বিকালে সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শাহীনুজ্জামান শাহীন বলেন, ইতোমধ্যে এজাহার নামীয় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, বুধবার সন্ধ্যার দিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে এসে শহরে এসপির বাংলোর ফটক, অফিসের ফটক ও ঝাউতলা এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এছাড়া মধ্যরাতে দ্বিতীয় বাইপাস মহাসড়কের জয়বাংলা এলাকায় প্রাণ কোম্পানির ট্রাকে আগুন দেওয়া হয়। এ চারটি ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তারা বাদী হয়ে সদর থানায় পৃথক চারটি মামলা করেছেন। পুলিশ এসব মামলায় মিল্লাতসহ দুই বিএনপিকর্মীকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ সূত্র আরও জানায়, মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা এসপির বাংলোর ফটকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এসআই জামিনুর ইসলাম ১৮ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। একই সময়ে এসপি কার্যালয়ের ফটকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এসআই শহিদুল ইসলাম ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। শহরের ঝাউতলা এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এসআই শামিনুল ইসলাম ২০ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এছাড়া মধ্যরাতে বগুড়া সদরের দ্বিতীয় বাইপাস মহাসড়কের জয়বাংলা এলাকায় প্রাণ কোম্পানির ট্রাকে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এসআই সাজ্জাদ হোসেন ৩৮ জনের নামোল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে ভাঙচুর, যানবাহনে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এসব ককটেল হামলা ও গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা তদন্তে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। ইতোমধ্যে দু’জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
আরও পড়ুন: