তিনি বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায়ে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি নির্বাচিত হলে উন্নয়নের কাজ আরও গতি পাবে। উন্নয়ন ও জনগণের ভালোবাসা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদেও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হবে।’
বৃহস্পতিবার তার নির্বাচনি এলাকা কাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পৌর সভা নির্বাচনের মতো ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনও সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান বেগম লায়লা নাসিম, পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম মাহফুজুল হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. শহিদ মো. সাদেকুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক শাহীন হাসানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সকালে প্রথমে যান তার নির্বাচনী এলাকা রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকায়। সেখানে তিনি শিমলা থেকে বাহুকা পর্যন্ত সাড়ে তিন কিমি দীর্ঘ নদী শাসন কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরে তিনি মেঘাই এবং মাইজবাড়িতে নদী শাসন কাজের অগ্রগতি এবং পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন।
চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের শিমুলদাইড় বাজার থেকে যমুনার পশ্চিম তীরে নদী শাসন কাজ পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে উত্তরে কাজীপুর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা যমুনার গ্রাস থেকে রক্ষায় ৪২০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
/বিটি/এজে