বগুড়ার সারিয়াকান্দির দীঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক ফজলে নূরের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ১০০ অভিভাবক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, ফজলে নূর সারিয়াকান্দির দীঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা কমিটিকে না জানিয়ে নিজে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে আত্মসাৎ করেছেন। ভুয়া পিটিএ কমিটি গঠন ও স্বাক্ষর জালের মাধ্যমে বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। বিভিন্ন ফান্ড ও ক্ষুদ্র মেরামতের টাকা যথাযথভাবে খরচ করেননি। জাতীয় দিবস পালনের বরাদ্দ টাকা শিক্ষার্থীদের জন্য খরচ না করে ভুয়া ভাউচার দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। ওয়াসব্লক মেইনটেইনেন্সের অর্থ যথাযথভাবে খরচ না করা, শেয়ারে ঠিকাদারির কাজ করেন। ক্লাস না নিয়ে মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত ও ঠিকাদারির কাজ করে থাকেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান তুহিন বলেন, প্রধান শিক্ষক ম্যানেজিং কমিটিকে তোয়াক্কা করেন না। তিনি তার ইচ্ছেমতো সব কাজ পরিচালনা ও ঠিকাদারি কাজেই সবসময় ব্যস্ত থাকেন।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ফজলে নূর বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমার কাছে কাজের সব রেকর্ড রয়েছে। ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা মিটিংয়ে উপস্থিত থাকেন না। তাই তারা আমার সম্পর্কে এ ধরনের ভুল তথ্য তুলে ধরছেন।
এ প্রসঙ্গে সারিয়াকান্দি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবির বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ইতিমধ্যেই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির সঠিক তদন্তের রিপোর্ট অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।