সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, জয়পুরহাট সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ধলাহার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মো. ফয়েজ উদ্দিন এবং দোগাছি ইউনিয়নে মনোনয়ন দাখিল করেন জহুরুল ইসলাম। আর কোনও প্রার্থী না থাকায় এ দু’জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চলেছেন। ৬ মার্চ মনোনয়নপত্র চূড়ান্ত বাছাইয়ের দিন আমদই ইউনিয়নে বিএনপিসহ স্বতন্ত্র দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় আওয়ামী লীগের শাহানুর আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৩ মার্চ রবিবার বম্বু, মোহাম্মদাবাদ ও পুরানাপৈল ইউনিয়নে বিএনপি ও স্বতন্ত্রসহ পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। ফলে ওই তিন ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মোল্লা সামছুল আলম, আতাউর রহমান ও খোরশেদ আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্য তিনটি ইউনিয়ন যথাক্রমে জামালপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সঙ্গে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোরশেদ আলম, চকবরকত ইউনিয়নে লড়ছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহজাহান আলী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুকুল সরকার। ভাদসা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাতেম আলী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ও আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে একমাত্র বিএনপি দলীয় প্রার্থী ইসমাইল হোসেন।
আগামী ৩১ মার্চ এসব ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মোজাহার আলী প্রধান বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে সরকারি দলের নেতাকর্মীর পাশাপাশি পুলিশ দিয়ে হয়রানির হুমকি, প্রার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের প্রাণনাশের হুমকির কারণে এলাকায় জনপ্রিয় হওয়া সত্ত্বেও বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এই মুহূর্তে একজন মাত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও পরবর্তীতে তিনিও থাকতে পারবেন কিনা তা নিয়ে তিনি সংশয় রয়েছে।
এদিকে জয়পুরহাট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত দোগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বলেন, কোনও চাপ অথবা কাউকে ভয়ভীতি সৃষ্টি করে নয় প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা স্বেচ্ছায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় ছয়টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। অন্য তিনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থাকায় সেখানে নির্বাচন হচ্ছে।
তিনি প্রশ্ন রাখেন, চাপ বা হুমকি দেখানো হলে অবশিষ্ট তিনটিতে নির্বাচন হচ্ছে কেন?
/বিটি/এইচকে/