পানি পানের জন্য ট্রেন থেকে নামা যুবকের প্রাণ গেলো আরেক ট্রেনের ধাক্কায়

রাজশাহী ও নাটোরে রেলপথে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিয়ান রেলক্রসিং এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে আরজিনা বেগম (৫০) নামের এক নারী মারা যান। তিনি রাজশাহীর কাটাখালী এলাকার মৃত আবদুস সাত্তারের স্ত্রী।

রাজশাহী রেলওয়ে থানার ওসি ফয়সাল বিন আহসান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আরজিনা বেগম মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। মাঝেমধ্যেই বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। সকালে হরিয়ান রেলক্রসিং এলাকায় রাজশাহী থেকে ছেড়ে যাওয়া মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনে তিনি কাটা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এটি আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ওসি ফয়সাল বিন আহসান আরও বলেন, এ বিষয়ে পরিবারের কোনও অভিযোগ নেই। তাই থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

অন্যদিকে নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলায় ট্রেনের ধাক্কায় মুক্তার হোসেন (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) বিকাল পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার মাধনগর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের বাড়ি দিনাজপুর জেলার বিরল থানার মোখলেসপুর এলাকায়।

মাধনগর রেল স্টেশনের কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার মমিন উদ্দিন প্রাং জানান, যুবকটি পঞ্চগড় থেকে রাজশাহীগামী বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী ছিলেন। বাংলাবান্ধা ট্রেন মাধনগর স্টেশনে যাত্রা বিরতির সময় মুক্তার হোসেন পানি খেতে যান। পানি খেয়ে ফেরার সময় ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী-একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় তিনি মারাত্মক আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।