বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক এম এ মতিনের বিরুদ্ধে সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপনসহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সাড়ে ১৯ লাখের বেশি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম সম্প্রতি নিজ কার্যালয়ে এ মামলা করেন।
মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে আর কোনও তথ্য দিতে রাজি হননি।
দুদক বগুড়া কার্যালয় ও এজাহার সূত্র জানায়, বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) সাবেক মহাপরিচালক এম এ মতিন আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার নতুন বাজার এলাকার মৃত আবদুল হালিমের ছেলে। ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে। দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে তাকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে এম এ মতিন ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ে তার সম্পদ ও সম্পত্তির হিসাব দাখিল করেন।
কর্মকর্তারা তার সম্পদ বিবরণী অনুসন্ধান করে তথ্য গোপনসহ ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬০ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পান। তিনি এ সম্পদ নিজ দখলে রেখে অপরাধ করেছেন। দুদক প্রধান কার্যালয় গত ২৬ জানুয়ারি বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক এম এ মতিনের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন করে।
দুদকের পিপি এস এম আবুল কালাম আজাদ জানান, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি করা মামলাটি বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এসেছে। শিগগিরই অভিযোগের তদন্ত শুরু হবে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে এম এ মতিন দাবি করেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। কোনও অনিয়ম বা অর্থ আত্মসাৎ করেননি। দেশের বিভিন্ন উন্নয়নে অনেক অবদান রেখেছেন। বিভিন্ন প্রকল্পের কনসালটেন্সি থেকে আয়ের বড় অংশ সরকারকে দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তে ত্রুটি আছে। সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বের হবে।