মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের জানকীগাঁতী-বারইভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নাসির উদ্দিন নাজির অভিযোগ করেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিন্নাহ আলমাজীর নির্দেশে তার ছেলে হাসান দলবল নিয়ে আমাদের মারপিট করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেন। এ সময় তারা আওয়ামী লীগ প্রার্থী গোলাম সরোয়ার লিটনের জন্য নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে শুরু করেন। পরে বিএনপি সমর্থকরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। বিষয়টি প্রশাসনকে অবগত করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিন্নাহ আলমাজী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নাসির উদ্দিন নাজির নিজেই নিশ্চিত হেরে যাবেন জেনে সোমবার রাত থেকেই বিএনপি প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদকে সঙ্গে নিয়ে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তিনি নিজেই বিএনপি প্রার্থীর হয়ে কাজ করছেন। কতিপয় লোকজন নাজিরের পক্ষ হয়ে এ ঘটনায় রং-চং লাগানোরও অপচেষ্টা করছে।
জানকীগাঁতী-বারইভাগ ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন খান বলেন, কেন্দ্রের ভেতর কোনও ঘটনা ঘটেনি। বাইরে হলেও হতে পারে। তবে, কোনও পক্ষই এসব নিয়ে অভিযোগ দেয়নি।
রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইকবাল আক্তার জানান, ওই কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. হেলাল উদ্দিন আহম্মেদ ও জেলা প্রশাসক মো. বিল্লাল হোসেন ও বিজিবি’র অতিরিক্ত পরিচালক ইকবাল আকতার উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
/বিটি/