আত্মসমর্পণ করলেও পার পাননি বিএনপি নেতা, পাঠানো হলো কারাগারে

সরকারি বিভিন্ন সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা প্রতারণা মামলায় পাবনার ভাঙ্গুড়ার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সহ-সভাপতি সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৯ জুন) পাবনার আমলি আদালত-৪ এ আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারক বেবী নাজনীন তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগে প্রতারিত ৩৫ ভুক্তভোগী গত শনিবার (৬ জুন) ভাঙ্গুড়া থানায় সোহেল রানার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করেন।

এর আগে গত শুক্রবার (৫ জুন) রাতে প্রতারণার অভিযোগে বিক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা সোহেল রানাকে আটক করে মারধরের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তবে চিকিৎসার কথা বলে তিনি থানা হেফাজত থেকে কৌশলে বের হয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের রাঙ্গালিয়া গ্রামের বাসিন্দা সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সহ-সভাপতি।

অভিযোগ রয়েছে, ভিজিডি কার্ড, পানির পাম্প, সরকারি প্রকল্পের ঘরসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তিনি ভাঙ্গুড়া বাজার, রাঙ্গালিয়া, পাটুলিপাড়া, ভেড়ামারা ও পার-ভাঙ্গুড়া গ্রামের অর্ধশতাধিক মানুষের কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা সংগ্রহ করেন। কিন্তু সাত থেকে আট মাস পার হলেও অধিকাংশ ভুক্তভোগী কোনও ধরনের সরকারি সুবিধা পাননি।