জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করা হবে। প্রস্তাবিত বাজেট মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাজেট নিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে রাজশাহী নগরীর কয়েকজনের কাছে।
নগরীর বাটার মোড় এলাকায় ফুটপাতে ক্ষুদ্র ব্যবসা করা সুমন চৌধুরী বলেন, ‘জাতীয় বাজেট হয়, ধনীদের ধনী করা। আর গরিবদের আরও গরিব করা। বাজেটের পর ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। এ জন্য আমাদের মতো গরিবদের জন্য বাজেটে থোক বরাদ্দ রাখা উচিত।’
রিকশাচালক গোলাম রব্বানী বলেন, ‘বাজেট কী এত কিছু বুঝি না। আমরা চাই জিনিসপত্রের দাম কম থাকুক। চাল, ডাল, তেল কিনতে যেন কষ্ট না হয়। দিন শেষে যা আয় করি, তা দিয়ে সংসার চালাতে পারলেই ভালো। বাজেটে যদি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমে, তাহলে আমাদেরই উপকার।’
শ্রমজীবী ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘কারখানায় কাজ করে যা বেতন পাই, তা দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। বাজেটে যদি জীবনযাত্রার খরচ কমানোর ব্যবস্থা থাকে, চিকিৎসা আর শিক্ষার খরচ কমে, তাহলে সাধারণ মানুষের কিছুটা স্বস্তি আসবে।’
ভ্যানচালক খলিলুর রহমান বলেন, ‘বাজেটের খবর টিভিতে দেখি, কিন্তু সব বুঝি না। আমার চাওয়া একটাই দৈনন্দিন খরচ যেন না বাড়ে। আয় তো আগের মতোই থাকে, কিন্তু বাজারের দাম বাড়লে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যায়।’
দিনমজুর রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাজেট নিয়ে আমার কোনও ভাবনা নেই। আজকে (বৃহস্পতিবার) কোনও কাজ পাইনি। আমার সংসার চলবে কীভাবে? সেই নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। তাই রাস্তায় রাস্তায় মানুষের কাছে অর্থ সহযোগিতা চাইতে হচ্ছে। কেউ দিচ্ছে। আবার অনেকে বলছে কাম-কাজ করতে পারো না। তখন তাদেরকে বলি আজকে কাজ পায়নি। তাই সহযোগিতা চাচ্ছি।’
কৃষক মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। তাই কৃষিকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেট দিতে হবে। আর ঢাকায় বসে বাজেট করলে হবে না। তৃণমূল পর্যায়ে আমাদের সুখ-দুখের কথা শুনে প্রত্যাশা অনুযায়ী গণমুখী বাজেট করতে হবে।’