ওসি শামীম ইকবাল জানান, আবদুল হান্নান জামায়াতের সক্রিয় সদস্য। গত ২০০৯ সালে তার বিরুদ্ধে একটি সন্ত্রাসী দমন আইন ও ২০১৫ সালে হরতাল-অবরোধ চলাকালে ট্রাকে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপের মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোপনে খবর পেয়ে বাড়ি থেকে তাকে ওয়ারেন্টমুলে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তিনি নিজেকে কৃষকলীগের নেতা পরিচয় দিয়েছিলেন।
বগুড়ার শেরপুর থানার সাবেক ওসি (তদন্ত) ও বর্তমানে ধুনট থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, ২০১০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি র্যাব-১২ বগুড়া কোম্পানির সদস্যরা শেরপুরের বেলঘড়িয়া বাজার এলাকা থেকে জেএমবি সদস্য আবদুল হান্নানকে গ্রেফতার করেন। তার কাছে জিহাদি বই পাওয়া গিয়েছিল। তিনি তদন্ত করে হান্নানের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন। এছাড়া তার ভাই আবদুল মান্নানও জেএমবির সক্রিয় সদস্য। তিনিও র্যাবের হাতে গ্রেফতার হন। আদালত মান্নানকে ২০ বছরের সাজা দেন।
/এআর/
আরও পড়ুন: