খোরশেদ আলমের অভিযোগ, পেশিশক্তি প্রয়োগ ও অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভোট দিতে বাধ্য করে রাজাকারপুত্র ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মীর মঞ্জুর এলাহীকে জেতানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: রংপুরে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া ৫ সন্তানের ৩ জনের মৃত্যু
উল্লেখ্য, ৮ এপ্রিল সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৃণমূল সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে ইউপি নির্বাচনের প্রার্থী নির্বাচন করা হয়।
খোরশেদ আলম বলেন, অনাধিকার চর্চার মাধ্যমে ৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে টুকু পছন্দের প্রার্থী মঞ্জুর এলাহীকে ভোট দিতে চাপ প্রয়োগ ও হুমকি দেন। এমনকি ভোট গ্রহণের দিন নিজে ব্যালট বাক্সের কাছে উপস্থিত থেকে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদানে বাধ্য করেন।
আরও পড়ুন: চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে জেলহাজতে পাঠানো সেই এএসআই প্রত্যাহার
তিনি জানান, এলাকার মরহুম মীর মোহাম্মদ আলী (ঠান্টু মিয়া) মুক্তিযুদ্ধের সময় ঐতিহাসিক ডাববাগান যুদ্ধে পাক বাহিনীর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি হানাদার বাহিনীকে তথ্য ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান জানাতেন। তারই পুত্র মীর মঞ্জুর এলাহী স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।
আরও পড়ুন: ‘নকলের সুবিধা না পেয়ে’ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের তাণ্ডব, আহত ৮
মঞ্জুর এলাহীকে বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের যে কোনও ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম মিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা হাজ্জাদ মিয়াসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
/এএ/এজে/