খাজা মিয়া জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার কিশামত দূর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা।
গাইবান্ধা জজ আদালতের জিআরও শফিকুল ইসলাম জানান, স্ত্রীর সঙ্গে তালাক হওয়ার পর ২০০৮ সালের ১৫ অক্টোবর দিবাগত রাতে খাজা মিয়া তার মেয়েকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনার পরের দিন ১৬ অক্টোবর সকাল সাড়ে নয়টার দিকে মেয়ের বড় ভাই বাদী হয়ে খাজা মিয়ার বিরুদ্ধে শিশু ও নারী নির্যাতন দমন আইনে সাদুল্লাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত শেষে খাজা মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দেয়। মামলাটির শুনানিকালে আদালতে ১১ জন স্বাক্ষী তাদের স্বাক্ষ্য প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাসিসট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটার (এপিপি) আব্দুল্যাহ কনক ও শিউলি বেগম।
আরও পড়ুন: যশোরে নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানকে কুপিয়ে জখম
/এআর/