এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- অলিয়ার (২৮), সুজন(২০) ও শ্যামল (৩৫)।
গুরুতর আহতদের মধ্যে তিনজনকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও বাকিদের জলঢাকা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগামী শনিবার (২৮ মে) ওই ইউনিয়নসহ জলঢাকা উপজেলার ১১ ইউনিয়নের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
সংঘর্ষের বিষয়ে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিউর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খারিজা গোলনায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুল আলমের সমর্থকরা নৌকা প্রতীকের সমর্থকদের চারটি মোটরসাইকেল ছিনতাই করেন। এসময় তারা আমার দুই সমর্থককে গাছের সঙ্গে বেধে নির্যাতন করে। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করতে গেলে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর লোকজন তাদের ওপর হামলা চালান। এতে আমার ছয় কর্মী আহত হন। পরে পুলিশ ও বিজিবি এসে তাদের উদ্ধার করে জলঢাকা হাসপাতালে ভর্তি করে।
অপরদিকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুল আলম কবীর চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থীর লোকজন গভীর রাতে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ করছিল। আমার সমর্থকেরা বাধা দিতে গেলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এসময় আমার তিন সমর্থক আহত হন। তাদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জলঢাকা থানার ওসি দিলওয়ার হাসান ইনাম জানান, শুক্রবার ভোররাতের এ সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ ও বিজিবি গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ইউপি নির্বাচন: পূর্বধলার একশ কেন্দ্রের ৯১টি ঝুঁকিপূর্ণ
/এমও/আপ-বিটি/