জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম জানান, বন্যার কারণে বিদ্যালয়ের মাঠ ও শ্রেণিকক্ষ পানিতে ডুবে যাওয়ায় গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জের ৭৩৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৪৯টির পাঠদান সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। এরমধ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ২৬টি, ফুলছড়িতে ৫১টি, সাঘাটায় ২৯টি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ৪৩টি।
তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের পাঠদানের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বন্যা পরবর্তী বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন আকতার জানান, বন্যার পানি এখন বিদ্যালয় ভবনে। তাই ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। এরমধ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ১টি মাদ্রাসা, ফুলছড়িতে ৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৪টি মাদ্রাসা ও ১টি কলেজ, সাঘাটায় ২টি মাদ্রাসা এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি মাদ্রাসা।
এদিকে, গাইবান্ধার ৮২টি ইউনিয়নের মধ্যে চরাঞ্চলের ৩২টি ইউনিয়নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশতে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে আসলেও শিক্ষার্থীরা তেমন উপস্থিত হচ্ছে না।
আরও পড়ুন:
শিশু সাগরের মুখে বাতাস ঢুকিয়ে দেয় তিন শিশু?
/বিটি/