একটি ওষুধ কোম্পানিতে কর্মরত আলমগীর আলম ও তার স্ত্রী কুদরত উন নাহারের বাসায় কাজ করতো জুই। তার পরিবারের অভিযোগ, ১০দিন আগে দিনাজপুরে বসবাসরত আলমগীর ও তার স্ত্রী নাহার গরম পানি ঢেলে জুইকে হত্যার চেষ্টা করে। তার বুকের নিচ থেকে পা পর্যন্ত পুড়ে যায়। শিশুটি অজ্ঞান হয়ে যায়। কিন্তু ওই দম্পতি শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করাননি। অভিভাবকদেরও জানায়নি। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে শিশুটি বৃহস্পতিবার সকালে মারা যায়। মারা যাওয়ার পর আলমগীর বোদা উপজেলার স্থানীয় যুবলীগ নেতাদের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু জুইয়ের মরদেহ দেখার পর পরিবারের লোকজন হত্যার অভিযোগ তোলেন। এমনকি স্থানীয় লোকজন আলমগীর ও তার স্ত্রীকে মারধরও করেন। পরে যুবলীগ নেতা গোলাম ফারুক তাদের উদ্ধার করেন। যুবলীগের নেতারা তিন লাখ টাকায় ঘটনা দফারফা করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই শিশুটির লাশ দাফন করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে আলমগীর আলম দাবি করেন, শিশুটি গরম পানির মধ্যে পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু পুলিশি হয়রানির ভয়ে তিনি শিশুটিকে হাসপাতালে নেননি।
বিষয়টি জেলা প্রশাসক অমল কৃষ্ণ মণ্ডল, পুলিশ সুপার গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, বোদা থানার ওসি আবুল কালাম আজাদকে জানানো হয়। কিন্তু তারা জানান, ঘটনাটি দিনাজপুরে হওয়ায় তাদের কিছুই করার নেই। ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, শিশুর পরিবার কোনও অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
এ ব্যাপারে যুবলীগ নেতা গোলাম ফারুককে কয়েকবার ফোন করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি।
/এআরএল/আপ-এনএস/
আরও পড়ুন: ‘তনু এখন ইতিহাস হয়ে গেছে’