মানবন্ধনে রুহিয়া এলাকার স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ অংশ গ্রহণ করেন।
এ সম্পর্কিত আরও খবর:
আফসানা হত্যাকাণ্ড: লাশ ফেলে গেছে দুই তরুণ, সিসি টিভি ফুটেজ দেখছে পুলিশ
উল্লেখ্য, শনিবার (১৩ আগস্ট) খুন হয় আফসানা ফেরদৌস। ওই দিন রাতে মোবাইলে ফোন করে সৌরভ নামের ব্যক্তি আফসানার মাকে জানান, আফসানার লাশ বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। এরপর আফসানার মা ঠাকুরগাঁও থেকে আত্মীয়স্বজনদের বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে আফসানার মামা ও স্বজনরা দ্রুত সেখানে ছুটে যান। কিন্তু সেখানে লাশ পাওয়া যায়নি।
এরপর অপর একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন করে থেকে এবার জানানো হয়, আফসানার লাশ মিরপুরের আল-হেলাল হাসপাতালে। সবাই ছুটে যায় আল-হেলাল হাসপাতালে। কর্তৃপক্ষ জানায়, এ নামে একটি লাশ কাফরুল থানায় রয়েছে। এরপর কাফরুল থানায় পৌঁছানোর পর আফসানার ছবি দেখালে থানায় ডিউটিরত পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এমন চেহারার লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। রাত তিনটায় মর্গে আফসানার লাশ শনাক্ত করেন তার মামা এবং স্বজনরা।
রবিবার ময়নাতদন্ত শেষে আফসানার মরদেহ গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় নিয়ে আসা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া যাবে। এরপর হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
/এএ/