উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পীরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মজিবর রহমানের বিরুদ্ধে তার অফিসের ৪ জন কার্যসহকারীর টি.এ. বিল উত্তোলন করে আত্মসাৎ , তাদের কাছে অডিটের নামে উৎকোচ গ্রহণ, উপজেলায় চলমান উন্নয়নমূলক কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারসহ নানা দুর্নীতির কাজ বাস্তবায়ন করে প্রায় ১০ লাখ আত্মসাৎ করায় তার বিরুদ্ধে কার্যসহকারীরা এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলীর কাছে গত ১৪ জুন লিখিত অভিযোগ করে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে রংপুরের তত্ত্বাধায়ক প্রকৌশলী বজলুর রহমানকে প্রকৌশলীর দফতর থেকে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার দুপুরে তদন্ত করতে রংপুর থেকে পীরগঞ্জে আসেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বজলুর রহমান। এসময় উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সামনেই অভিযোগকারী ৪ কার্য সহকারীর মধ্যে একজন সালামকে উপজেলা প্রকৌশলী মজিবর রহমানের লেলিয়ে দেওয়া কয়েকজন ঠিকাদারসহ সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে আহত করে।
এ ঘটনায় তদন্ত করতে আসা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তাৎক্ষনিক কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো সালামকে আর বাড়াবাড়ি না করার পরামর্শ দিয়ে তদন্ত না করেই রংপুরে চলে আসেন।
এ ব্যাপারে প্রকৌশলী বজলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগকারীদের একজন কার্য সহকারী সালামকে পেটানোর ঘটনাটি অফিসের বাইরে ঘটেছে। পরে আমি আহত কর্মচারীকে নিরাপদে পাঠিয়ে দিয়ে তদন্ত কাজ বন্ধ করে চলে এসেছি। যেকোনও একদিন এসে এ সেখানে তদন্ত করবো।
এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আহত কর্মচারী সালাম জানান, তারা ৪ কার্য সহকারী উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় তাকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনার জড়িতদের গ্রেফতার করে বিচার দাবি করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত উপজেলা প্রকৌশলী মজিবর রহমানের সঙ্গে কয়েকবার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আরও পড়ুন: ভারতীয় ৩ জেলের লাশ খুমেক হাসপাতাল মর্গে
/এইচকে/এআর/