অবশেষে নির্মিত হচ্ছে সোনাহাট স্থলবন্দরের অবকাঠামো

 




landport-picঅবশেষে নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের ১৮তম স্থলবন্দর সোনাহাট স্থলবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ। ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির সময় বন্ধ হওয়া এই স্থলবন্দরটি ২০১৪ সালের ২৮ এপ্রিল পুনরায় চালু হওয়ার পর এবারই প্রথম এর অবকাঠামো তৈরি হতে যাচ্ছে।
আগামীকাল শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শাজাহান খান সকাল সাড়ে ১০টায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থল বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন করবেন বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। এছাড়াও এদিন মন্ত্রী স্থলবন্দরের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমির মালিকদের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করবেন বলে বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজাহারুল ইসলাম।
স্থল বন্দরের ভারতীয় অংশে সকল অবকাঠামো নির্মাণ হলেও বাংলাদেশ অংশে অবকাঠামো নির্মাণ ছাড়াই প্রায় আড়াই বছর ধরে চলছে বন্দরের কার্যক্রম। এরই মধ্যে বন্দরের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের কাজ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
জেলা অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা আ ন ম জাহেদুল ইসলাম বাংলা টিব্রিউনকে জানান, প্রায় ১৪.৬৮ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে যার সবটাই ব্যক্তি মালিকানাধীন। এই অধিগ্রহণকৃত জমির প্রায় ৪৯ জন দাবিদারকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যাদের প্রত্যেককে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণসহ জমির মূল্য দেওয়া হবে।

এই কর্মকর্তা আরও জানান,দাবিকৃত তালিকাভুক্ত ৪৯ জন মালিক ছাড়াও অধিগ্রহণকৃত জমির কোনও আইনানুগ ওয়ারিশ থাকলে তারাও ক্ষতিপূরণ বাবদ পাওনা অর্থের অংশ পাবেন। পর্যায়ক্রমে যাচাই-বাছাই করে এই ক্ষতিপূরণের অর্থ দেওয়া হবে।

তবে প্রাথমিক অবস্থায় মন্ত্রী সাত জন জমির মালিককে ক্ষতিপূরণের চেক দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৪ জন আবাসিক ও ৩ জন কৃষি জমির মালিক বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ভারতের আসাম, মিজোরাম, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা, অরুনাচল ও মেঘালয় রাজ্য থেকে স্বল্প সময় ও খরচে বিভিন্ন পণ্য আমদানি ও রফতানি সুবিধা থাকলেও বর্তমানে এই বন্দর দিয়ে শুধু ভারতীয় বোল্ডার স্টোন (পাথর) আমদানি হচ্ছে। তবে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে এই বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রফতানি বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

/এআর/