এ জেলার কৃতী সন্তান সদ্য প্রয়াত কবি সৈয়দ শামসুল হকের সমাধির জন্য নির্ধারিত স্থানে গিয়ে দেখা যায়, সমাধিস্থল প্রস্তুতের জন্য সন্ধ্যার পরপরই পৌরসভার পক্ষ থেকে শ্রমিক নিয়োগ করা হয়। কুড়িগ্রাম পৌর মেয়রের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ ও জেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত জায়গায় কবির সমাধিস্থল প্রস্তুতির কাজ চলছে।
জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সরকারের নির্দেশে ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কবিকে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কবির মরদেহ বহণকারী হেলিকপ্টারটি কুড়িগ্রামে পৌঁছানোর আগেই সব প্রস্তুতি শেষ হবে।
কবির পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্রাহাম লিংকন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, গত বছর প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে একবার ও পরে আরও একবার কুড়িগ্রামে এসে মৃত্যুর পর এখানেই শায়িত হবেন বলে ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন কবি।
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ মির্জা নাছির উদ্দিন বলেন, ‘সব্যসাচী এই লেখকের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষ কলেজের দুই শতাংশ জমি কবির সমাধিস্থলের জন্য অর্পণ করেছে। ইতোপূর্বে এ বিষয়ে একটি রেজুলেশন প্রস্তুত করা হয়েছিল এবং তাতে কবি নিজেও স্বাক্ষর করেছিলেন। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট চিঠিও পাঠানো হয়েছে এবং তাদের নির্দেশক্রমে কবির কবরের জন্য জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’’
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ মীর্জা নাসির উদ্দিন জানান, দাফনের আগে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ প্রাঙ্গনে তার শেষ জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগে মঙ্গলবার রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সব্যসাচী এ লেখক।
আরও পড়ুন:
সৈয়দ শামসুল হকের অপ্রকাশিত সাক্ষাৎকার
/এনএস/বিটি/