এর আগে হিলি সীমান্তের শূন্যরেখায় বিএসএফ ও বিজিবির ব্যাটালিয়ন অধিনায়করা উপস্থিত হয়ে একে অপরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে বিএসএফ ও বিজিবি যৌথভাবে নিজ নিজ দেশের দেশাত্মবোধক গানসহ বিভিন্ন গান পরিবেশন করেন। পরে দুবাহিনীর ব্যান্ড পার্টির সদস্যরা ছাড়াও অন্যান্য সদস্যরা নেচে গেয়ে উৎসবে অংশগ্রহন করেন। এসময় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দুই পাড়ের সাধারণ জনগনের উপস্থিতিতে হিলি সীমান্ত এলাকা জনসমুদ্রে পরিনত হয়।
বিএসএফ-১৯৯ পতিরাম ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক আলকেশ সিনহা জানান, সীমান্তে দায়িত্বরত দুই দেশের দুই বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে সৌহাদ্য, সস্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের জন্য এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
তিনি আরও জানান,বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে হিলি সীমান্তে কোনও ধরনের সীমান্ত হত্যা বা সীমান্তে কোনও ধরনের ঘটনা ঘটেনি। এর কারণ হলো দুদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মাঝে সুসসম্পর্ক। এধারা অব্যাহত রাখতে এধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য সীমান্তেও এধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
ভারতীয় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে যে উত্তেজনা রয়েছে তার সঙ্গে আমাদের এ সীমান্ত কোনভাবে সম্পর্ক যুক্ত নয়। তার কোনও প্রভাব আমাদের সীমান্তে দুই বাহিনীর মধ্যে কোনও কালেই পড়বেনা।’
বিজিবি ব্যান্ড পার্টির নেতৃত্ব দেন নায়েক সুবেদার তন্ময় সিনহা। এসময় বিজিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট-২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান, ফুলবাড়ি ২৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অপারেশন অফিসার মেজর হাসিবুল হোসেন ও বিজিবি হিলি সিপি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আব্দুল মান্নান।
/এমডিপি/