পার্বতীপুরে শিশু ধর্ষণ: সাতদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে সাইফুল

সাইফুলদিনাজপুরের পার্বতীপুরে পাঁচ বছরের শিশু পুজাকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে সাতদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এছাড়া মামলার অপর আসামি আফজাল হোসেন কবিরাজের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আজ  বৃহস্পতিবার বিকাল পৌনে ৩টার দিকে আসামি সাইফুল ইসলামকে দিনাজপুরের সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-৫ এ হাজির করা হয়।

সাতদিনের রিমান্ডে আসামির কাছ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে এবং সেগুলো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে বলে আদালতকে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই  স্বপন চৌধুরী। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার মূল কারণ কী তা জানা যাবে বলে জানানো হয় আদালতকে।

এ সময় আদালতের বিচারক কৃষ্ণ কমল রায় আসামির কাছে জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদানের কথা স্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি অ্যাডভোকেট সলিমুল্লাহ সেলিম বলেন, এ মামলার আসামি সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পরে প্রয়োজন হলে তাকে পুনরায় রিমান্ডের আবেদন করবে পুলিশ এমনটি জানিয়েছেন আদালতে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর দুপুরে খেলতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয় ৫ বছর বয়সী শিশু পুজা। খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে রাতে পার্বতীপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে পুজার বাবা। পরের দিন সকালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পুজাকে বাড়ির পার্শ্ববর্তী খেত থেকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ২০ অক্টোবর রাতে পুজার বাবা পার্বতীপুর থানায় একই গ্রামের জহির উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম ও আফজাল হোসেনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। গত ২৪ অক্টোবর পুলিশ অভিযুক্ত সাইফুলকে দিনাজপুরের ঈদগাহ বস্তি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। পরের দিন তাকে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

আরও পড়ুন:

রাজশাহীতে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে

/বিটি/