পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামে চলছে নির্বাচনি প্রচার

 জেলা পরিষদ নির্বাচন

কুড়িগ্রামে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে জমে উঠেছে জেলা পরিষদের নির্বাচনি প্রচার। নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতুহল দিন দিন বাড়ছে। তবে অনেকে দুই প্রার্থীর মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কাও করছেন।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে কুড়িগ্রামে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর আলী। তিনি আনারস প্রতীকে লড়ছেন। আরেকজন হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পনির উদ্দিন আহমেদ। যিনি লড়ছেন কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে।

নির্বাচনে জাফর আলীর বিরুদ্ধে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ করছেন অপর প্রার্থী পনির উদ্দিন আহমেদ। তার অভিযোগ, জেলা পরিষদ নির্বাচন দলীয় নির্বাচন না হলেও দলের প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচনের শুরু থেকেই গাড়ি ভাঙচুর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, সমর্থকদের মারধর, বাড়ি-ঘর ভাঙচুর, নির্বাচনি পোস্টার ছেড়াসহ নানা রকম হুমকি দিয়ে আসছেন জাফর আলীর সমর্থকরা।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার মটর শ্রমিক অফিস এলাকায় পনির উদ্দিনের দুই কর্মী পোস্টার লাগাতে যায়। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নুরের নেতৃত্বে চিহ্নিত দলীয় ক্যাডার জাহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন ওই দুজনকে মারধর করে এবং সব পোস্টার ছিনিয়ে নেয়।

আহত আব্দুল জলিল বলেন, ‘আমি এ নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে গেলে রাজারহাট থানা কর্তৃপক্ষ অভিযোগ নিতে অস্বীকৃতি জানায়।’

এ বিষয়ে রাজারহাট থানার ওসি মোখলেছুর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যান।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান প্রার্থী জাফর আলী বলেন, ‘আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পনির উদ্দিন তার নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে আমার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন। বরং স্থানীয় সংসদ সদস্যদের দিয়ে সে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। যা নির্বাচনি আচরণ বিধির চরম লঙ্ঘন।’

এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, পনির উদ্দিনের কাছ থেকে তার কর্মীদের মারধর ও প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দোষীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 /এসটি/