এর আগে হেলিকপ্টারটি রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এসে নামে। সেখানে নিহত এমপি লিটনের মরদেহ হেলিকপ্টারে তোলা হয়। এ সময় রংপুরের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শাফিয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডলসহ দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে একই স্থানে মরহুমের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিশিষ্টজনরা তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়।
আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তার মরদেহ গাইবান্ধার সুন্দরগজ্ঞ উপজেলায় বামনডাঙ্গায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে বাদ আছর তৃতীয় জানাযা শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামে লিটনকে তার বাড়িতে ঢুকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। রাত সাড়ে ৭টার দিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
আরও পড়ুন-
এমপি লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আটক ৩
হিমঘরে লিটনের মরদেহ, বুকে দু’টি গুলি লেগে মৃত্যু
/বিটি/