সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাহিনুর রহমান সরদার ট্রিবিউনকে জানান, ঠান্ডার কারণে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়লেও তাদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। তবে চিকিৎসক সংকটের কারণে রোগীদের চিকিৎসা দিতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে।
এদিকে, তীব্র শীতে গরম কাপড়ের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষজন। প্রচণ্ড ঠান্ডায় মাঠে যেতে পারছেন না শ্রমজীবীরা। ঠান্ডার কারণে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও শিশুরা পড়েছে চরম বিপাকে।
অন্যদিকে, জেলার নদ-নদী তীরবর্তী এলাকার চর ও দ্বীপ চরে বেশি ঠান্ডা অনুভূত হওয়ায় এখানকার মানুষজন খুড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। তীব্র শীতে দুর্ভোগ বেড়েছে গবাদি পশু-পাখির। শীতার্তদের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে প্রায় ৫৩ হাজার কম্বল বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
কুড়িগ্রাম আবহাওয়া অফিস এর পর্যবেক্ষক জাকির হোসেন জানান, বুধবার (১১ জানুয়ারি) এ অঞ্চলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আরও পড়ুন:
সেন্টমার্টিনে যাওয়ার সময় ৭০০ যাত্রী নিয়ে ডুবোচরে আটকা পড়েছে জাহাজ
/বিটি/