রেজাউল ইসলাম লিটন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য (মেম্বার) ও রামভদ্র (কদমতলা) গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে। এছাড়া তিনি ক্যাবল (ডিস) ব্যবসায়ী।
কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, লিটন হত্যা মামলায় গ্রেফতার রেজাউল ইসলাম লিটনের সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান। পরে আদালতের বিচারক বুধবার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেন। বুধবার দুপুরে শুনানি শেষে রেজাউল ইসলামের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।
এর আগে, গত সোমবার ভোররাতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গা এলাকা থেকে রেজাউল ইসলাম ওরফে ডিস লিটনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে বিকালে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিয়ার রহমান জানান, এমপি লিটন হত্যা মামলায় বুধবার পর্যন্ত ১০৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে ২২ জনকে ওই মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। এরমধ্যে সর্বশেষ ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলামসহ ১৪ জন আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের শাহবাজ এলাকায় নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় লিটনের বোন তাহমিদা বুলবুল বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
/এআর/