সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ১৫ ইউনিয়নের ১০৯টি ভোট কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ৩৩ হাজার ৮০৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ৭০ হাজার ৮৪১ জন, পুরুষ ভোটার এক লাখ ৬২ হাজার ৯৬৬ জন।
সকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বাজারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ভোট কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের উপস্থিতি তেমন নেই। সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত নিজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রামজীবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও ভোটার উপস্থিতি তেমন ছিল না। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নির্বাচনে সাতজন প্রার্থী লড়ছেন। তারা হলেন, আওয়ামী লীগের গোলাম মোস্তফা আহমেদ (নৌকা), জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী (লাঙ্গল), জাসদের মোহাম্মদ আলী প্রামানিক (মশাল), জেপির ওয়াহেদুজ্জামান সরকার বাদশা (সাইকেল), গণফ্রন্টের শরিফুল ইসলাম (মাছ), এনপিপির জিয়া জামান খান (আম) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তফা মোহসিন (আপেল)।
রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সাহাতাব উদ্দিন জানান, সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণের জন্য নির্বাচনি এলাকায় ১৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্র্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া সাত প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৭ টিম রয়েছে। এ আসনে চরাঞ্চলে দুর্গম ভোটকেন্দ্র রয়েছে ২৪টি। দুর্গম ভোটকেন্দ্রগুলোর প্রতিটিতেই ওসির পদমর্যাদার একজন পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্বে পুলিশ, আনসারসহ ২৯ জন করে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, ভোট গ্রহণের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন দুই হাজার ১০ জন কর্মকর্তা। এরমধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার ১০৯ জন, সহকারী প্রিসাইডিং ৬৩৭ জন ও পোলিং অফিসার এক হাজার ২৭৪ জন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মো. রবিউল ইসলাম জানান, ভোট নিরপেক্ষ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
/বিএল/