বৃহস্পতিবার ফুলবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের সুচনীচড়া গ্রামে এই রাস্তা নির্মাণ কাজ করা হয়। সুচনীচড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সৈয়দপুর ভায়া মাদিলাহাট পর্যন্ত চলাচলের রাস্তাটি নির্মাণ করেন প্রায় ২শতাধিক গ্রামবাসী। তারা নিজেরাই হাতে কোদাল নিয়ে মাটি কেটে এই রাস্তা নির্মাণ করেন।
গ্রামবাসীরা জানায়, সুচনীচড়া স্কুল থেকে সৈয়দপুর গ্রাম ভায়া হয়ে মাদিলা হাট বাজারে যাতায়াত করা এই রাস্তাটি দিয়ে দৌলতপুর ইউনিয়নের সুচনীচড়া, হড়হড়িয়া পাড়া, কাঁথাওড়ার গ্রাম, চেয়ারম্যানপাড়া ও শীবপুরসহ ১০টি গ্রামের মানুষ চলাচল করে। অথচ দীর্ঘদিন থেকে এ রাস্তাটি চলাচলে অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। সুচনীচড়া স্কুল সংলগ্ন এই রাস্তাটির ওপর গত ১৫-১৬ অর্থবছরে ৩২ লাখ ৫২ হাজার ৬৫৬ টাকা ব্যয়ে একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়। কিন্তু কালভার্টের দু’দিকে মাটি ভরাট না করায় কালভার্টটি অকেজো ছিল। একইসঙ্গে ওই রাস্তাটির অস্তিত্ব ছিল না বললেই চলে। চলাচলের সমস্যার বিষয়টি বারবার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে জানিয়েও কোন কাজের কাজ হয়নি। বাধ্য হয়েই গ্রামবাসীরা তাদের প্রয়োজনে এই রাস্তাটি নির্মাণ করে।
সাবেক ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম জানান, গ্রামবাসীরা তাদের প্রয়োজনে নিজ উদ্যোগে রাস্তা নির্মাণ করলেও সেখানে চেয়ারম্যান দেখতে পর্যন্ত আসে নাই। গ্রামবাসীরা রাস্তা নির্মাণ করায় রাস্তার পাশাপাশি কালভার্টটিও এখন যাতায়াতের উপযোগী হয়ে উঠছে।
এ বিষয়ে দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ মণ্ডল জানান, ইউনিয়ন পরিষদের প্রচেষ্ঠায় সেখানে একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু কালভার্টের ঠিকাদার রাস্তার দুইদিকে মাটি না দিয়েই পালিয়ে যায়। এছাড়া ৪০ দিনের কর্মসূচিতে রাস্তার ওপরে কিছু মাটি দেওয়া হয়েছিল।
/এমডিপি/