পুলিশ জানায়, জামায়াত আমীর রোস্তম আলীর বিরুদ্ধে নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা রয়েছে। দীর্ঘ ৭ মাস ধরে তিনি পলাতক ছিলেন।
এদিকে বদরগঞ্জ উপজেলায় ২০১৪ সাল থেকে শুরু করে ৫ ফেরুয়ারি নির্বাচন বিএনপি জামায়াত জোটের নাশকতার ঘটনায় রংপুরের ৮টি উপজেলার মধ্যে একমাত্র বদরগঞ্জ উপজেলায় জামায়াতের কোনও নেতা গ্রেফতার হয়নি। এই প্রথম এই উপজেলায় জামায়াতের শীর্ষ নেতা গ্রেফতার হলো।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, বদরগঞ্জে জামায়াতের শীর্ষ নেতা উপজেলা আমীর রোস্তম আলী উপজেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন নেতাদের আত্মীয় হওয়ায় এতদিন তাকে গ্রেফতার করা হয়নি। শুধু তাই নয় বরং বদরগঞ্জ উপজেলা সদরে ২০ দলীয় জোটের বিভিন্ন কর্মসূচিতে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা অংশগ্রহণ করেছে। তবে আওয়ামী লীগের কোনও নেতাই জামায়াতের সঙ্গে তাদের আত্মীয়তার সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক টুটুলের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোন দুটি বন্ধ পাওয়া যায়।
অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রংপুর ২ আসনের এমপি ডিউক চৌধুরীর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গ্রেফতার হওয়া জামায়াত নেতা রোস্তম আলীর সঙ্গে তাদের কোনও আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই।
আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে, অপরাধী যেই হোক কাউকেই ছাড় দেওয়া হবেনা বলে জানান তিনি।
বদরগঞ্জ থানার ওসি আখতারুজ্জামান বলেন, ‘ জামায়াত আমীর রোস্তম তিন ৭ মাস ধরে পলাতক ছিলেন। আজ তার খোঁজ পাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
/এআর/