নিহতর হলেন- রঞ্জিনা খাতুন (৫০), মোকসেদ (৫২) ও আরিফুল।
গুরুতর আহতরা হলেন- মুন্না (৩২), রোস্তম ( ৪৫), শফিকুল (১৯), উদয় চন্দ্র (৪৩)ও দুলাল (৩৫)। বাকিদের নাম ঠিকানা এখনও জানা যায়নি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার রানীগঞ্জে যমুনা অটোরাইসমিলের বয়লার বিস্ফোরণে অন্তত ৩০ জন আহত হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ১১ জনকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকালে রঞ্জিনা খাতুন নামে এক নারী শ্রমিক মারা যান। পরে বুধবার রাতে মোকসেদ ও বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) সকালে আরিফুল নামে দুই শ্রমিক মারা যান।
এছাড়া আহত বাকি শ্রমিকদের অবস্থাও গুরুতর। তাদের শরীরের ৯০ ভাগ পুড়ে গেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মারুফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, যে সব শ্রমিকরা হাসপাতালে ভর্তি আছে তাদের শরীরের ৯০ ভাগ পুড়ে গেছে। সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।
এদিকে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
/এআর/