কিশোরগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার, আটক -১

ধর্ষণ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বিএস মাদ্রসার অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী (১৪) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। রবিবার (৭ মে) বিকালে মেয়েটিকে অপহরণ করা হয়। সে উপজেলার পুটিমারী মাস্টার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। কিশোরগঞ্জ থানার ওসি বজলুর রশিদ ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ধর্ষকরা হলেন, একই উপজেলার কেসবা গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে রাজমিস্ত্রি শাহিনুর (২৩), কেসবা গ্রামের তহিজুল ইসলামের ছেলে সৈকত, শাহীনুরের চাচাতো ভাই রাজু আহম্মেদ ও মিস্ত্রির জোগালদার সবুজ মিয়া।

তিনি আরও জানান, সোমবার সকালে ওই এলাকার একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে মেয়েটিকে অসুস্থ ও বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করে এলাকাবাসী। পরে তাকে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মেয়েটির জানিয়েছে চারজন তাকে ধর্ষণ করেছে। তাদের মধ্যে একজনকে আটক করেছে।বাকী তিন আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সৈকত ওরফে ভেলুমিয়ার পা কেটে যাওয়ায় সে সকাল ১০টার দিকে চিকিৎসার জন্য একই হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ সময় মেয়েটি তাকে চিনতে পেরে পুলিশকে জানালে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়।

জানা যায়, ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত উপজেলার কেসবা গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে রাজমিস্ত্রি শাহিনুর (২৩) ছাত্রীটির পূর্ব পরিচিত। রবিবার (৭ মে) বিকালে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে শাহীনুরসহ আরও তিনজন মেয়েটিকে অপহরণ করে। বিষয়টি জানতে পেরে তার পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুজির পর পুলিশকে জানায়। সোমবার সকাল ৮টার দিকে জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের হরিশ্চন্দ্রপাঠ গ্রামের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

ছাত্রীটি পুলিশকে জানায়, শাহীনুরসহ আরও তিনজন তাকে সারা রাত ধরে  ধর্ষণের পর ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. গাওছুল আজম  জানান, তাকে রক্তাত্ব ও বিবস্ত্র অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে।

/জেবি/

আরও পড়তে পারেন: ধোবাউড়ায় বজ্রাঘাতে দুই ভাই নিহত