মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘দেশের আগামী নির্বাচন যেন সুষ্ঠ ও অবাধ হয়, জনগণ যেন তাদের ভোট নির্ভয়ে দিতে পারেন, সে ব্যাপারটি আমরা সরকারের কাছে বারবার তুলে ধরলেও দূর্ভাগ্য জনকভাবে সরকার সেই বিষয়ে কর্ণপাত করে না। আমরা বার বার আলোচনার কথা বলেছি, সমাঝোতার কথা বলেছি তারা কোনও আলোচনা বা সমাঝোতার মাঝে আসতে চায়নি। উপরোন্ত বিএনপি যেন এই বিষয়ে জনমত গঠন করে সরকারকে বাধ্য করতে না পারে, সেজন্য বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে তারা দমন নীতিকে বেছে নিয়েছে।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বলে— বিএনপি বাড়তি কথা বলছে। কিন্তু গতকাল জাতিসংঘের একটি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান বলেছে— বাংলাদেশে গুম ও খুনের মধ্যদিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হচ্ছে। মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।’
মির্জা ফখরুল ফরহাদ মজহারের অপহরণ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ফরহাদ মাজাহার সাহেবের মত এক কবি, দার্শনিক, রাজনৈতিক ভাষ্যকার ও পরিবেশ বিজ্ঞানী যিনি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। যেহেতু তিনি সত্যকথা বলেন, সরকারের অন্যায় তুলে ধরেন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের কথা বলেন। সেজন্য তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিকভাবে যখন সরকারকে চাপ সৃষ্টি করা হয়, তখন তাকে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে সরকার। এখন সরকার নানা নাটক ও গল্প শুরু করেছে।’
জনগণকে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে জনগণকে এসব অন্যায় প্রতিরোধে দাঁড়াতে হবে, তাদের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। আমরা আন্দোলন করছি গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য, ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য।’
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমিন প্রমুখ।
পরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজে সদস্য ফরম পূরণ করে সদস্য সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করেন।
/এসএমএ/