হেল্পলাইনে ফোন করে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো স্কুলছাত্রী

বাল্য বিয়েমহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হেল্পলাইন নম্বর ১০৯ তে কল করে নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকালো ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার মাছখুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী সানজু আক্তার (১৩)। শনিবার(৭ অক্টোবর) বিকালে এ ঘটনা ঘটে।

সানজু উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের কার্তিকা পাড়া গ্রামের শমসের আলীর মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,  সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী সানজুকে বিয়ে দিতে চাইলে সে বিয়ে করতে রাজি হয়নি। কিন্তু অভিভাবকদের এ ব্যাপারে রাজি করাতে না পেরে স্কুল থেকে শোনা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ১০৯ হেল্পলাইন নম্বরে ফোন দিয়ে সাহায্য চায় সানজু। তার এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয়  ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে  সমাজসেবা কর্মকর্তা, স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং ইউপি সদস্য স্কুলছাত্রী সানজুর বাড়িতে উপস্থিত হন। তারা বাল্যবিয়ে দণ্ডনীয় অপরাধ উল্লেখ করে সানজুর বাবার কাছ থেকে  বাল্যবিয়ে দেবে না মর্মে অঙ্গীকারনামা নেন।

সানজু আক্তার জানায়, সে এখন বিয়ে করতে চায় না। পড়ালেখা করে সাবলম্বী হয়ে সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চায়।

সানজুর বাবা শমসের আলী বলেন, ‘আমি আর কখনও মেয়েকে নাবালিকা অবস্থায় বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবো না। স্থানীয় ব্যক্তিরা আমার চোখ খুলে দিয়েছেন।’

এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর নিজের বাল্যবিয়ে একইভাবে ঠেকিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে উপজেলার দুওসুও স্কুলের ছাত্রী তসলিমা আক্তার (১৪ ) এবং একই স্কুলের  নবম শ্রেণির ছাত্রী হালিমা আক্তার হানি (১৪ )।

আরও পড়ুন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস-ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত চার