নীলফামারী সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আবু ইসলাম ওই গ্রামের দিন মজুর গোলাম মোস্তফার ছেলে এবং হাড়োয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলো।
ওয়ার্ড পৌর কাউন্সিলার ঈসা খান জানান, সকালে ছেলেটির বাবা ও মা কাজে যায়। বাড়িতে সে একা ছিল। পরে ঘরের হোল্ডারে লাগানো লাইট জ্বালিয়ে শিশুটি ওই লাইনটি ঘরের বাহিরে নিয়ে আসে। এমন হয় বাল্বটি ফেটে পড়ে। এসময় শিশুটি বিদ্যুতায়িত হয়ে চিৎকার দেয়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোজ্জাফর হোসেন শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আকতার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হোল্ডারে লাগানো লাইট জ্বালিয়ে ঘরের বাহিরে নেওয়ার সময় বাল্বটি ফেটে বিদ্যুতায়িত হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়।’