সরেজমিন ওই গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা দাঁড়িয়ে রয়েছেন খোলা আকাশের নিচে। ঘরের আসবাবপত্র, চাল-ডাল, কাপড়-চোপড়— কিছুই রক্ষা করতে পারেননি তারা। আগুনে পুড়ে মারা গেছে হাঁস-মুরগি। শিক্ষার্থীদের বই-খাতাও পুড়ে ছাই হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের কান্নায় ভারি হয়ে উঠেছে মাদারগঞ্জ গ্রামের বাতাস।
আউলিয়াপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাফরুল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘২০টি পরিবারের প্রায় ৩৫টি ঘরবাড়ি পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১০ লাখ টাকারও বেশি হবে। শিগগিরই সরকারিভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আমরা সহায়তা চাই।’
এদিকে, গত রাতে আগুন লাগার পর মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল ও ঠাকুরগাঁও সদরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসলাম মোল্লা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এসময় জেলা প্রশাসক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাদের সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হবে। আশা করছি, খুব শিগগিরই তাদের কাছে এই সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়া যাবে।’